মোবাইল থেকে ডিলেট হওয়া ছবি বা ডকুমেন্টস ফিরিয়ে আনার নিয়ম


প্রায়ই আমরা ভুলবশত মোবাইল থেকে বিভিন্ন ছবি ডিলেট করে ফেলি। অনেক সময় ভুল করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে ফেলি। এতে করে স্মার্টফোন থেকে হারিয়ে যাও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস সহ প্রয়োজনীয় অনেক অনেক ছবি। স্মার্টফোনে স্টোর থাকা বহু কিছুর ভিড়ে আমরা বুঝতে পারি না যে আসলে কোন ফোল্ডারটা কাজের আর কোনটা অকাজের। অনেক সময়ে দেখা যায় কাজের জিনিসগুলোই ডিলেট হয়ে গিয়েছে।

যেহেতু স্মার্টফোনের জগতে এখন রাজত্ব করছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন। তাই এখানে আমরা শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ফোনের রিকভারী প্রসেস নিয়ে কথা বলবো। বিস্তারিত পড়ে জেনে নিন, কিভাবে ফিরিয়ে আনবেন আপনার ফোন থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল, ফটো বা ভিডিও !

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে, ডিলেট হব‍ার পূর্বে ‍আপনার ফাইলগুলো কোন স্টোরেজে ছিলো ! ফাইলগুলো যদি মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট হয়, তাহলে রিকভার করতে তেমন একটা অসুবিধা নেই।

মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভ‍ার কর‍ার নিয়ম
গুগল প্লে-স্টোর থেকে পছন্দমত ‍’ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার’ ডাউনলোড করে নিন। এরমধ্যে ‘রেকুভা’ (Recuva) সফটওয়্যারের বেশ সুনাম রয়েছে।
প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো আগে অন্য কোথাও কপি বা ব্যাক‌আপ করে রাখুন। যাত রিকভারের সময় ভুলবশত সব ফাইল ডিলেট হয়ে না যায়।
ব্যাকআপ সম্পন্ন হলে সফটওয়্যারটি ওপেন করে মেন্যু থেকে SD Card সিলেক্ট করুন।
ডিলেটকৃত ফাইলগুলোর একটি তালিকা আসবে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল বা ছবিগুলো রিকভার করা শুরু করুন।
ফোন মেমোরি থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভ‍ার কর‍ার নিয়ম
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরি থেকে ছবি অথবা ভিডিও ডিলেট হলে তা রিকভার করা বেশ ঝামেলার বিষয়। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা হলেও আশা জোগাতে পারে ‘ডিস্ক ডিগার অ্যাপ’।

প্রথমেই গুগল প্লে-স্টোর থেকে Disk Digger App ইনস্টল করে নিন।
অ্যাপসটি ব্যবহার করার আগে সতর্কীকরণটা মাথায় রাখুন, এটা শুধুমাত্র রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্ষেত্রেই কাজ করবে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোন রুট কর‍ার নিয়ম গুগল ঘেটে জেনে নিতে পারেন।
যাদের ফোন ইতিমধ্যেই রুট করা আছে। তারা ডিলেটকৃত ফোল্ডারগুলো সিলেক্ট করুন।
ফাইল টাইপ সিলেক্ট করুন। যেমন – JPG, PNG, 3gp বা Mp4
সিলেক্ট করা শেষে সেভ বাটনে ক্লিক করা ফাইলগুলো তৎক্ষণাত রিকভার করে ফেলতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে যখন কোনো ফাইল ডিলেট হয়, তখন সিস্টেমে শুধু তথ্যগুলো মুছে যায়। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই ফাইল স্পেসে অন্যকিছু ওভাররাইট হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ডিলেট হওয়া ফাইল উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ফোনে বড় আকারের ফাইল সেভ করা ও কোনোপ্রকার সিস্টেম আপডেট নেয়া থেকে বিরত থাকুন।

হোয়াটসঅ্যাপ কলে ডাটা বাঁচাবেন যেভাবে


বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। সারবিশ্বে রয়েছে এর লাখ লাখ ব্যবহারকারী। ব্যক্তিগত চ্যাট থেকে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান প্রদান সবই করা যায় এই প্ল্যাটফর্মে।

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যেমন ছবি, ভিডিয়ো, অডিয়ো মেসেজ, ভয়েস মেসেজ পাঠানো যায়, তেমনই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অডিয়ো এবং ভিডিয়ো কল করাও সম্ভব। তবে এই হোয়াটসঅ্যাপ কল করার সময় অনেক ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ডেটা খরচ হয়।

খুব সহজ উপায়েই কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ কল করার সময় ডাটা খরচের পরিমাণ কমাতে পারবেন। ঘরে ওয়াইফাই ব্যবহার করলেই বাইরে গেলে মোবাইলের ডাটা ব্যবহার করতে হয়। এক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ কলে কথা বললে ডাটা খরচ হয় খুব দ্রুত।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ডাটা খরচ কমিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ কল করা যায়-

১. প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ খুলুন।

২. এবার স্ক্রিনের উপরে ডানদিকের কোণে থাকা তিনটি ডটে ক্লিক করুন।

৩. সেখান থেকে সেটিংস অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৪. এরপর সেটিংসের ‘স্টোরেজ অ্যান্ড ডেটা’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫. এখানে ‘ইউজলেস ডেটা ফর কলস’ অপশন পাবেন। সেটাকে সিলেক্ট করুন।

আইফোনের ক্ষেত্রে

১. আপনার আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ খুলুন।

২. এরপর স্ক্রিনের ডানদিকের কোণে তিনটি ডটে ক্লিক করলে ‘সেটিংস’ অপশন পাবেন ইউজার।

৩. সেখানে ‘স্টোরেজ অ্যান্ড ডেটা’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৪. এরপর নেটওয়ার্ক সেকশন থেকে ‘ইউজলেস ডেটা ফর কলস’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে বিটিআরসি


এখন থেকে ইউটিউব, ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটি বলছে, এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত, সামাজিক, ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে যেকোনো আপত্তিকর কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং অপসারণ করা যাবে।সম্প্রতি আলোচিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনের ব্যক্তিগত ও গোপনীয় ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুলিশ বিভাগসহ দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এছাড়া, কলেজছাত্রী মুনিয়া ও জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ফাঁস হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

জনগণের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন উচ্চ আদালত। নানা সমালোচনার মুখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব ওয়েবসাইট ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর শিকদার বলেছেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই সাইবার সিকিউরিটি সেল নামে একটি বিশেষ সেল গঠন করছি। নজরদারি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করছি।’ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আফজাল হোসেন বলেছেন, ‘যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করছে কিংবা যেসব আপত্তিকর কনটেন্ট, ভিডিওর ফলে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা দ্রুত অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।’

গত এক বছরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রায় ৫ হাজার আপত্তিকর কনটেন্ট অপসারণ করেছে বিটিআরসি। বিটিআরসির ৪৩১টি লিংক বন্ধ করার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ৬২টি লিংক বন্ধ করেছে ইউটিউব। এছাড়া, সিটিডিআরের মাধ্যমে বন্ধ করা হয় ১ হাজার ৬০টি ওয়েবসাইট এবং লিংক।

শর্ত না মানলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ

হালনাগাদ নিয়মকানুন ও শর্তে যেসব ব্যবহারকারী সম্মতি দেবেন না, প্রথমে তাদের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেবে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ও ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল পরিষেবা হোয়াটসঅ্যাপ। একপর্যায়ে উক্ত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। খবর বিবিসির।চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার হালনাগাদ নিয়মকানুন ও শর্ত ঘোষণা করে হোয়াটসঅ্যাপ। এসব শর্তে ব্যবহারকারীর সম্মতি জানানোর জন্য ১৫ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ সময়ের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন শর্তে সম্মতি না দিলে বার্তা পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারবেন না ব্যবহারকারী। তবে ১৫ মে’র মধ্যে নতুন শর্তে সম্মতি না জানানো ব্যবহারকারীরা আরো কিছু সময়ের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে কল করতে ও গ্রহণ করতে পারবেন। তবে তা বেশি সময়ের জন্য নয়।সম্মতি না জানানো ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে। এবং চার মাস পর ‘নিষ্ক্রিয়’ অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হবে।

মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা হ্যাকারদের


ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের প্রচারণা লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালিয়েছে চীনের হ্যাকার গ্রুপ।এবারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে চীন, ইরান এবং রাশিয়ার হ্যাকাররা। এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট।এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০১৬ সালের নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী রুশ হ্যাকার গ্রুপ স্ট্রনটিয়াম সম্প্রতি রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটের বিভিন্ন সংস্থাসহ অন্তত দুই শতাধিক সংগঠনকে লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালিয়েছে। স্ট্রনটিয়াম গ্রুপটি রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা গ্রু’র মদদপুষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে।এদিকে চীনের জিরকোনিয়াম নামের হ্যাকার গ্রুপ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের প্রচারণা লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনের বিশিষ্ট ব্যক্তির ইমেইলও হ্যাক করার চেষ্টা করেছে চীনা হ্যাকাররা।এছাড়া, ইরানি হ্যাকার গ্রুপ ফসফরাস গত মে-জুন মাসে হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা এবং ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা সংশ্লিষ্টদের অ্যাকাউন্টে হানা দিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে মাইক্রোসফট।

যেভাবে বদলে দেবেন নিজের ছবি


ফেসবুকে এসেছে নতুন ট্রেন্ডস। নিজের ছবি আরো একটু রঙিন করে প্রোফাইলে যুক্ত করছেন অনেকে। একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আপনিও আপনার ছবিটি সম্পাদনা করে আরো আকর্ষণীয় করতে পারেন।

গুগল প্লে স্টোরেই রয়েছে ছবি সম্পাদনার জনপ্রিয় অ্যাপ ‌‘ফটো ল্যাব পিকচার এডিটর’। এটি মূলত একটি স্টাইলিশ ছবি সম্পাদনার অ্যাপ। কোন প্রফেশনাল এডিটর ছাড়াই এই অ্যাপ দিয়ে আপনার ছবিতে আকর্ষণীয় রূপ দিতে পারেন। এই অ্যাপে ৬৫০টির বেশি ফ্রেম এবং ৭০০ এর বেশি ইফেক্ট রয়েছে।

‌‘ফটো ল্যাব পিকচার এডিটর’ দিয়ে ছবি সম্পাদনার জন্য আপনাকে ফটোশপ এক্সপার্ট হওয়ার দরকার নেই। যে কেউ এই অ্যাপ দিয়ে খুব সহজেই যে কোনো ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

হিউম্যান-টু-এনিমেল মন্টেজেস ব্যবহার করে আপনার ফেস পরিবর্তনও করতে পারবেন। অন্যের ছবি তুলে তার ফেসে ফানি ক্যারেকটারও দিতে পারেন। এটি হচ্ছে এই অ্যাপের বিশেষ ফিচার। এখন পর্যন্ত অ্যাপটির ফ্রি ভার্সন ১০ কোটির বেশি ডাউনলোড হয়েছে।

অ্যাপের যে সব বৈশিষ্ট রয়েছে

ন্যাচারাল আর্ট স্টাইল: ফটো আর্টওয়ার্ক করার জন্য এটি একটি স্মার্ট এবং দ্রুত উপায়। অ্যাপের বিভিন্ন স্টাইল থেকে আপনার পছন্দ মতো বেছে নিয়ে আপনার ছবিতে আর্টওয়ার্ক করতে পারবেন।ফটো ফ্রেমস: আপনার ছবির জন্য একটি সুন্দর ফ্রেম নির্বাচন করতে পারেন।রিয়েলেস্টিক ফটো অ্যাফেক্ট: আপনার ছবিতে ফটো এডিটর দ্বারা রিয়েলেস্টিক লুক দিতে পারেন।ফেস ফটো মন্টেজেস: এই এডিটিং অপশনে আপনি ফেস লুককে জলদস্যু, মহাকাশচারী, ভয়ংকর লুক ইত্যাদিতে রূপান্তর করতে পারবেন।ফটো ফিল্টারস: ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট, নিওন গ্লো, ওয়েল পেইন্টিং এবং অন্য অনেকগুলো ফটো ফিল্টারগুলোর সাথে আপনার ছবি এডিট করতে পারবেন। ফটো কোলাজেস: এই অ্যাপসের মাধ্যমে কোলাজ ইডিট করতে পারবেন।

তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে ফেসবুক


বিশ্বে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে ফেসবুক। বিশেষ করে যারা ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছিলেন, তাদের মধ্যেই হঠাৎ করে জনপ্রিয়তা হারাতে শুরু করেছে ফেসবুক। খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই ফেসবুকের জনপ্রিয়তা কমেছে কয়েক শতাংশ। চলতি বছরের ফেসবুকের জনপ্রিয়তা তরুণদের মধ্যে ৫-৮ শতাংশ কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটার।

এদিকে তরুণদের মধ্যে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা কমতে থাকলেও বয়স্কদের মধ্যে বাড়ছে এর জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে, বাবা-মা, দাদা-দাদী, নান-নানীসহ পঞ্চাশোর্ধদের কাছে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা ব্যাপকহারে বাড়ছে। ফেসবুকের মূল টার্গেট যদিও তরুণ-তরুণী তবুও বর্তমানে বয়োজ্যেষ্ঠরা ফেসবুককে সাদরে গ্রহণ করছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এ বছর ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের ফেসবুক ব্যবহার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমবে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও ফেসবুকের ব্যবহার একইমাত্রায় কমতে দেখা যাবে। ২০১৯-২০ সাল পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। সব মিলিয়ে ২৫ বছরের কম বয়সী ২০ লাখ ব্যবহারকারী হারাবে ফেসবুক।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। ১৬ কোটি ৯৫ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে সেখানে। ইমার্কেটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী দাঁড়াবে ১০ কোটি ৪৭ লাখ আর স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহারকারী দাঁড়াবে ৮ কোটি ৬৫ লাখে। গত বছরে ইমার্কেটার পূর্বাভাস দিয়েছিল, এ বছর প্রথমবারের মতো তরুণদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী কমতে দেখা যাবে। বছর শেষে তাই ফলেছে।

২৬ কোটি ৬৭ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস


অনলাইনে ফাঁস হয়ে গেছে ২৬ কোটি ৬৭ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফোন নম্বরসহ ব্যক্তিগত নানা তথ্য। সম্প্রতি একটি ডেটাবেইস আকারে রাখা ওই তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে বলে দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত সপ্তাহে একটি অনলাইন ফোরামে উন্মুক্ত তথ্য হিসেবে থাকা এসব ফেসবুক ব্যবহারীর তথ্য ডাউনলোড করে রাখা যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে অবশ্য তা সরিয়ে নেওয়া হয়। ফাঁস হয়ে যাওয়া এসব ব্যক্তিগত তথ্য স্প্যামিং ও ফিশিংয়ের মতো প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার হতে পারে বলে ধারণা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে- মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য আরও ভালোভাবে সংরক্ষণের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার আগের এসব তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কম্পারিটেক বলছে, সম্প্রতি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বব ডিয়াচেঙ্কো ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ডেটাবেইস খুঁজে পান। এসব তথ্যে ব্যবহারকারীদের নাম, আইডি ও ফোন নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে।

অবশ্য এটিই প্রথম নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার ফেসবুকের ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত নভেম্বরেই তথ্য ফাঁস হয়ে যায় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাদের।

আলোয় চলবে নতুন যুগের কম্পিউটার

বর্তমানে ‘কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি’র মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে তামাম বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন একটাই — তাহলে কি আজকের যুগের সাধারণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের বদলে খুব শীঘ্রই বাজারে আসতে চলেছে ‘কোয়ান্টাম কম্পিউটার’? না, কোটি কোটি টাকা ঢাললেও সেরকম সম্ভাবনা এখনই নেই। বিজ্ঞানীরা অথবা গুগল, আইবিএমের মতো বহুজাতিক সংস্থাগুলির ধারণা কিন্তু এমনটাই। কেন? প্রথমত, এই কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এখনও একদমই সূচনা-পর্বে। সুপার কন্ডাক্টিং পদার্থ দিয়ে তৈরি এই কম্পিউটার শুধুমাত্র অতিশীতল (প্রায় শূন্য কেলভিন) উষ্ণতায় সঠিকভাবে কাজ করবে যা আপনার আমার ধরা ছোঁয়ার বাইরে। শুধুমাত্র ল্যাবরেটরিতেই সম্ভব। দ্বিতীয়ত, মজার ব্যাপার হল কোয়ান্টাম কম্পিউটারের অলৌকিক দক্ষতার পরিসর সীমিত। ব্যাঙ্কিং, ই-কমার্স বা কিছু বিশেষ গবেষণায় কোয়ান্টাম কম্পিউটার দক্ষ হলেও দৈনন্দিন অতিসাধারণ সব কাজ, যা বাড়ির ডেস্কটপ বা ‘পিসি’ দিয়ে করা যায়, সেই কাজে এই কম্পিউটার আজকের ইলেকট্রিক কম্পিউটারগুলির থেকে আদৌ পারদর্শী হবে কি না তর্কসাপেক্ষ। বরং ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের বদলে শীঘ্রই যা বাজারে আসতে চলেছে তা হল ‘ফোটনিক কম্পিউটার’। আনতে চলেছে ইনটেল, আইবিএম অ্যাপলের মতো বড় বড় সংস্থাগুলি। ইলেকট্রনিক্সের সঙ্গে এর তফাতটা কোথায়?
ভেবে দেখুন, আমাদের হাতের মুঠোয় বন্দি তন্বী স্মার্ট ফোন, ডেস্কের উপর রাখা ছিমছিমে টেলিভিশন কিংবা ল্যাপটপ, এই ইলেকট্রনিক যন্ত্রগুলো সবই চলে তড়িৎ শক্তিতে। সে বোঝে শুধু ভোল্টেজের ওঠানামা। যদি ভোল্টেজ কম দেওয়া হয় তবে বোঝে ‘০’ আর বেশি দিলে (সাধারণত ৫ ভোল্ট) ‘১’। যা কিছু কাজ, জটিল গাণিতিক হিসেব-নিকেশ, রকেট উৎক্ষেপণ থেকে গেম খেলা, চ্যাট বা সিনেমা দেখা, সবই হয় এই ‘০’ ও ‘১’-এর কম্বিনেশনে। শুধুমাত্র দুটি ‘বিট’ ০ এবং ১ এর সমন্বয়ে তৈরি এহেন গাণিতিক শাখাকে বলে ‘বাইনারি সিস্টেম’, যা ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহার হয়।
ইলেকট্রনিক যন্ত্রে উপযুক্ত সেমিকন্ডাক্টিং মাধ্যম যেমন সিলিকন-এ তড়িৎ বা ইলেকট্রনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে নিজের সুবিধা মতো কাজে লাগানো হয়। যন্ত্রগুলির মধ্যে থাকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ‘স্যুইচ’ বা ট্রানজিস্টার। যা ভিতরের সার্কিটের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ ও অভিমুখকে আমাদের প্রয়োজন অনুসারে নিয়ন্ত্রণ করে। বাইরে থেকে কি-প্যাডের মাধ্যমে আমরা আসলে এই স্যুইচগুলোই অন বা অফ করে সার্কিটের ভোল্টেজে নিয়ন্ত্রণ করে থাকি। আজকের উন্নত কম্পিউটারে এরকম কয়েক কোটি স্যুইচ বা ট্রানজিস্টার থাকে। যেগুলিকে আমরা বাইরে থেকে নিমেষের মধ্যে অন বা অফ করতে পারি।
কম্পিউটারের স্পিড কত বেশি হবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে কত দ্রুত এই স্যুইচগুলো অফ বা অন করা যায়। এককথায় কম্পিউটারের ক্লক-স্পিড-এর উপর। যেমন, আমাদের কম্পিউটারের এই ক্লকগুলির স্পিড সাধারণত গিগা (১০৯) হার্ৎজ হয়। যার অর্থ হল, এই কম্পিউটারের কন্ট্রোলিং স্যুইচগুলি সেকেন্ডে প্রায় ১০৯ (একশো কোটি) বারের বেশি অন-অফ করা যায়। ‘Windows’-এর ‘run’-এ গিয়ে ‘dxdiag’ টাইপ করলেই প্রসেসর স্পিড কত তা দেখা যায়। বুঝতেই পারছেন, সেকেন্ডে কয়েকশো কোটি সংখ্যাটা নেহাতই ছোট নয়। কিন্তু, সাতশো কোটি মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা এতেও মেটে না।
কী করে এই কম্পিউটারগুলিকে আরও ছোট, গতিশীল ও সুদক্ষ করে তোলা যায়, তার জন্য নিরন্তর গবেষণা চলছে। সমস্যা এখানেই। ইলেকট্রন ধাতব তারের মধ্যে দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গতিতে চলাচল করে। এই গতি আলোর বেগের কয়েকশো ভাগের এক ভাগ। আবার ইলেকট্রনিক সার্কিট ইচ্ছেমতো ছোট করা সম্ভব না। কারণ, যখনই দু’টি ইলেট্রনিক সার্কিট কাছাকাছি আসে, তখন তাদের মধ্যে তড়িৎ-কণা বা চার্জ জমিয়ে রাখার ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই ঘটনাকে বলে ধারকত্ব বা Capacitance. এরা তখন পাত্রের মতো ইলেকট্রনগুলিকে এদের মধ্যে বন্দি করে ফেলে। ফলে, আমরা যতই তাড়াতাড়ি বাইরে থেকে স্যুইচগুলিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি না কেন, বন্দি ইলেকট্রনগুলি সহজে নড়াচড়া করতে পারে না। তাই কম্পিউটারের স্পিডও তার আকার যত ছোট হয়, তত কমতে শুরু করে। এই সমস্যার সমাধানেই আজ আমরা আলোকবিজ্ঞানের একটি শাখা ফোটোনিক্স বা আলোক-কণা বিজ্ঞানের শরণাপন্ন।
ইলেকট্রনিক্সের মতোই আলোকবিজ্ঞানের ব্যবহার সর্বত্র। হাজার কোটি আলোকবর্ষ দূরে দুই দানবিক যমজ কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষে তৈরি অতি দুর্বল মহাকর্ষীয় তরঙ্গের পরিমাপ থেকে অতিক্ষুদ্র অণু-পরমাণুর কম্পনের মাধ্যমে এক সেকেন্ডের এক কোটি ভাগের এক ভাগ সময় মাপার নিখুঁত ঘড়ি তৈরি পর্যন্ত বিস্তার আলোকবিজ্ঞানের। আবার সমুদ্রের নীচে পাতা মাইলের পর মাইল দীর্ঘ অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের সৌজন্যে আজ আমাদের বাড়িতে দ্রুত-গতি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যা আমার আপনার নিত্যসঙ্গী। আলোক ঝলমল পুজো প্যান্ডেলের LED লাইট, ছানি অপারেশনে ব্যবহৃত লেসার রশ্মি বা আপনার টেবিলে অযত্নে লালিত ধুলোমাখা সিডি, সবই আলোকবিজ্ঞানের দান।
খামখেয়ালি আলোর দ্বৈতসত্তাও রয়েছে। সে কখনও তরঙ্গধর্মী, আবার কখনও কণাধর্মী। যে কোনও বস্তু থেকে যখন আলো তরঙ্গের মতো প্রতিফলিত হয় তখন আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আবার আলোককে ছোট ছোট একগুচ্ছ কণা বা ফোটনের সমন্বয় হিসেবে না ভাবলে আলোক-তড়িৎক্রিয়ার ব্যাখ্যা করা সহজসাধ্য হয় না। আইনস্টাইন এই আলোক-তড়িৎক্রিয়া আবিষ্কারের মাধ্যমে আলোক কণাধর্ম প্রমাণ করেই ১৯২১ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। এই আলোক-কণা বা ফোটন ভরহীন, চার্জবিহীন এক ধরনের বোসন কণা যা আলোর বেগে ছুটে চলে।
ফোটোনিক কম্পিউটারগুলিতে থাকে ছোট ছোট লেজার। লেজার অন থাকলে ১, আর বন্ধ থাকলে ০ বোঝায়। নিরলস গবেষণায় আবিষ্কৃত হয়েছে অপিটক্যাল ট্রানজিস্টার বা স্যুইচ। যা আলোর গতিবিধি এবং লেজারগুলির অন-অফ নিয়ন্ত্রণ করে। শুরুতে তামার তারের বিকল্প হিসেবে আসে, অতিসূক্ষ্ম কাচের তার। যাদের বলে অপটিক্যাল ওয়েভ গাইড। এরা মানুষের চুলের প্রায় ১০০ ভাগের এক ভাগ হলেও বিনাবাধায় আলোকে সার্কিটের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিমেষে পৌঁছে দেয়। দেখা যায়, ফোটনিক টেকনোলজি ব্যবহার করে আরও ছোট আকারের কম্পিউটার তৈরি করা যায়, যার ক্লক-স্পিড কমপক্ষে কয়েক হাজারগুণ বেশি (১০১২ বা টেরা-হার্ৎজ)। এছাড়াও ফোটন ভর ও চার্জহীন হওয়ায়, ফোটোনিক্স সার্কিটে খুব কম তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে শক্তির অপচয় কমে।
নতুন যুগের কম্পিউটারে ইলেকট্রনিক্সের বদলে যে ফোটোনিক্স আসতে চলেছে, তা বুঝতে পেরেছে আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, জামার্নি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, চীন, জাপান, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলি। সেজন্য সেখানকার বিশ্ববিদ্যালগুলিতে পুরোদমে শুরু হয়েছে ফোটনিক্সের গবেষণা। ভারতের প্রথম সারির গবেষণাকেন্দ্র এবং আইআইটি গুলিতেও ফোটোনিক্স নিয়ে পড়াশোনা ও রিসার্চ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, কয়েক ধাপ এগিয়ে এই ফোটোনিক্সই আমাদের উন্নততর ‘কোয়ান্টাম কম্পিউটার’ তৈরির লক্ষ্যে বিপ্লব আনতে চলেছে। এক কথায় ইলেকট্রনিক যুগের অবসান অবশ্যম্ভাবী। নতুন যুগের সূচনা হবে আলোকবিজ্ঞানের হাতেই।
(লেখক: খড়্গপুর আইআইটির ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষক)
সূত্র: বর্তমান

ফেসবুক চালাতে লাগবে ছবি ও মোবাইল নাম্বার


বড় পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে। ভুয়া অ্যাকাউন্ট মুছে দিতে এমন চিন্তা করছে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

অ্যাকাউন্টে প্রোফাইল পিকচার, নিজ সম্পর্কে তথ্য না থাকলেই ফেক অ্যাকাউন্ট! লগ-ইন করার জন্য ফেসবুক চাইবে মোবাইল ফোন নাম্বার ও ছবি। ভেরিফাইয়ের পরই মিলবে লগ-ইন করার সুযোগ।

বে প্রতিদিন যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়! সমস্যায় তারাই পড়বেন যাদের একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

একই রকম ছবি দিয়েও খোলা একাধিক অ্যাকাউন্টগুলোও ফেক অ্যাকাউন্টের তালিকায় পড়বে।

অনেকেই ফেসবুক থেকে তাদের সঠিক অ্যাকাউন্ট মুছে ‘নকল’ অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ব্যবহার করছেন। অনেক সময় মোবাইল নাম্বার ও ছবি ছাড়াই তারা এসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন।

যে অ্যাকাউন্টগুলো বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, গ্রুপ চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এসব অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসেবে তাদের মোবাইল নাম্বার ও প্রোফাইলের ছবি দিতে বাধ্য করবে ফেসবুক।