https://youtu.be/M_OQ7cjYVJI
শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
https://youtu.be/M_OQ7cjYVJI
https://youtu.be/JaAqOuxC0Gg
আমাদের মতো দেশসহ বিদেশেও এই ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কিংবা সেই উপায় না থাকলে, নবজাতক কন্যা সন্তানের জায়গা হয় নোংরা-আবর্জনা, ডাস্টবিন কিংবা অনাথ আশ্রম।
সেরকমই আরও একটি ঘটনা সামনে এল সম্প্রতি, যেখানে সদ্যোজাত কন্যা সন্তানকে অনাথ আশ্রমেও নিয়ে যেতে রাজি হয়নি তার মা। নিজের হাতেই আপন শিশুকন্যাকে প্লাস্টিকে মুড়ে কুরিয়ার করে অনাথ আশ্রমে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে সেই মায়ের বিরুদ্ধে।
শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটেছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ চীনে। তবে শিশুর কান্নার আওয়াজ পেয়ে তাকে উদ্ধার করেছে কুরিয়ার সংস্থার এক কর্মী। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। গোটা ঘটনার ভিডিওটি সম্প্রতি সামনে এসেছে, যেখানে কালো প্লাস্টিক থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে শিশুটিকে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল।
জানা গেছে, চীনের ফিঝোউ প্রদেশের ২৪ বছর বয়সের এক নারী নিজের কন্যাসন্তানকে মানুষ করতে চাননি। পাঠাতে চেয়েছিলেন অনাথ আশ্রমে। আর তাই একটি কালো প্লাস্টিকে মুড়ে একটি কুরিয়ার সংস্থা মারফত সেই নবজাতককে পাঠিয়েছিলেন ফিঝোউ চিলড্রেন্স ওয়েলফেয়ার ইনস্টিটিউশন নামে ওই অনাথ আশ্রমে। এমনকী ডেলিভারি নেওয়ার সময় কুরিয়ার সংস্থার কর্মীকে প্যাকেটটি খুলতেও মানা করেছিলেন তিনি।
এরপর অনাথ আশ্রমে সেই প্যাকেটবন্দি শিশুটিকে পৌঁছে দেওয়ার সময় কান্নার আওয়াজ শুনতে পান সংস্থার কর্মী। এরপরই কৌতূহলবশত প্লাস্টিক খুলে দেখেন তাতে রয়েছে মাত্র কয়েকদিন আগে জন্মানো এক শিশু। এরপরই তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল।
১৯৫৬ সালে নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ দিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু। কিন্তু গত ৬০ বছরে মোট আয়ের হিসাবে ১০ কোটির ক্লাব অতিক্রম করতে পেরেছে মাত্র তিনটি চলচ্চিত্র। পাঁচ যুগে সবচেয়ে ব্যবসাসফল ১০টি চলচ্চিত্র নিয়ে এই প্রতিবেদন।বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবি ১৯৮৯ সালে নির্মিত বেদের মেয়ে জোসনা। তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ফোক-ফ্যান্টাসিধর্মী চলচ্চিত্রটি ১২০০ হলে দেখানো হয়, আর আয় করে রেকর্ড ২০ কোটি টাকা। যে রেকর্ড আজও ভাঙতে পারেনি কেউ।বেদের মেয়ে জোসনার সাফল্য ছুঁতে না পারলেও রোমান্টিক চিত্রনায়ক সালমান শাহ নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত উপহার দেন অনেক হিট সিনেমা। ১৯৯৫ সালে সালমান অভিনীত ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ আয় করে ১৯ কোটি টাকা।সেরা ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের তৃতীয় অবস্থানটিও সালমান অভিনীত চলচ্চিত্রের। ১৯৯৬ সালে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘সত্যের মৃত্যু নাই’ ছবিটি আয় করে ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এরপর ঢাকাই চলচ্চিত্রে আর কোন ছবি আয় করেনি ১০ কোটি টাকার বেশি।সেরা দশের চতুর্থ অবস্থানেও আছে সালমান শাহ্ ও মৌসুমি অভিনীত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত এই ছবিটি আয় করে আট কোটি ২০ লক্ষ টাকা।আট কোটি টাকা আয় করে এই তালিকার পঞ্চম অবস্থানে ২০০৯ সালে গিয়াস উদিন সেলিম নির্মিত চলচ্চিত্র, মনপুরা। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘কুলি’, সাত কোটি টাকা আয় করে আছে ষষ্ঠ অবস্থানে।২০১৬ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘বাদশা দ্য ডন’ আয় করে ছয় কোটি ৪০ লক্ষ। একই বছর মুক্তি পাওয়া জাজ মাল্টিমিডিয়ার আরেকটি চলচ্চিত্র ‘শিকারি’র আয় পাঁচ কোটি ৫৫ লক্ষ। সবচেয়ে ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের তালিকায় পর্যায়ক্রমে সপ্তম ও অষ্টম অবস্থানে আছে এই দুটি চলচ্চিত্র।অমিতাভ রেজার চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’ আয়ের দিক থেকে আছে নবম স্থানে। ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি আয় করে পাঁচ কোটি তেরো লক্ষ টাকা।সেরা ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের দশম অবস্থান বদিউল আলম খোকনের প্রিয়া আমার প্রিয়া চলচ্চিত্রের। এর আয় পাঁচ কোটি টাকা।