জোড়া কলা খেলে কি জোড়া সন্তান হয়? কুসংস্কার নাকি সত্যি? ইসলাম কি বলে…


আমাদের সমাজে কিছু প্রচলিত কুসংস্কার রয়েছে যেগুলো অধিকাংশই মানুষের তৈরি করা। কোথাও রওনা দিলে ঝাড়ু, খালি কলসি বা কেউ হাছি দিতে দেখলে অযাত্রা হয়! আসলে ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই।

আমাদের আজকের আলোচনা সমাজের প্রচলিত কুসংস্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। আর তা হলো জোড়া কলা খাওয়া। শুধু জোড়া কলা কেন কোনো খাবারেরই জোড়া সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার কোনো ক্ষমতা নেই।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে পাকে ইরশাদ করেছেন :

لِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَخْلُقُ مَا يَشَاء يَهَبُ لِمَنْ يَشَاء إِنَاثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَاء الذُّكُورَ – أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَاثًا وَيَجْعَلُ مَن يَشَاء عَقِيمًا إِنَّهُ عَلِيمٌ قَدِيرٌ

অর্থ : নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’য়ালারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। অথবা তাদের দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যাত্ব করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল। [সুরা শূরা : ৪৯,৫০]

সুতরাং মহান আল্লাহর পবিত্র কালামে পাকের এই দুটি আয়াত থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, সবকিছুর ক্ষমতা এক মাত্র মহান আল্লাহর হাতে। তিনি চাইলে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।

আরেকটি তথ্য আপনাদের ভুল ভাঙার সুবিধার্থে বলতে হচ্ছে, বর্তমানে অনেক দেশেই দেখা যায় দুইয়ের অধিক সন্তান জন্ম নিচ্ছে। যেমন কিছুদিন আগে আমাদের দেশের খুলনায় এবং রংপুর জেলায় ৫টি করে সন্তান জন্ম হয়েছে। তাহলে তারা কয়টি করে কলা খেয়েছিলেন? আসলে এ ধরনের কথাগুলোর ইসলামে কোনো প্রকার ভিত্তি নেই। তাই এমনসব আলােচনা থেকে নিজে দূরে থাকুন এবং অপরকেও সচেতন করুণ।

জোড়া কলা খাওয়ার কারণে জোড়া সন্তান জন্ম হবে- আমাদের সমাজের এমন একটি কুসংষ্কারের প্রচলন রয়েছে। অনেকে এই কুসংস্কারের কারণে শুধু গর্ভকালীন সময়ই নয়, যেকোনো সময়েই জোড়া কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকেন।

অবার অনেককেই দেখা গেছে, বিয়ে করেননি তারাও এই কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তারা মনে করেন, জোড় কলা খাওয়ার কারণে বিয়ের পর তাদের ঘরে জোড় সন্তান জন্ম নেবে। অথচ ইসলাম এমন কোনো ধারণাকে কখনোই সমর্থন করে না।

প্রাচীনকালে এমন কিছু প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত ছিল। ঠিক আজো সেই প্রাচীনকালের অকেজো ধারণাগুলোকে আঁকড়ে ধরে আছেন কিছু মানুষ। বিশেষ করে দেখা যায় পরিবারের প্রবীণ লােকদের কাছে এসব কুসংস্কারের কথা শোনা যায় এবং তাদের কাছেই এই প্রথার মূল্য বেশি।

আবার গর্ভবতী মায়েরা কি খেতে পারবেন আর কি খেতে পারবেন না এ নিয়েও রয়েছে আমাদের সমাজে নানা কুসংস্কার। যেমন, জোড়া কলা খেলে যমজ সন্তান জন্ম নেয়। আসলে এ কথাটি নিতান্তই হাস্যকর এবং এর পেছনে না আছে কোনো ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা, না আছে কোনো যুক্তি। ইসলাম কারো মুখের কথায় চলে না এবং চলতে পারে না। তাই এমন বিশ্বাস অবশ্যই বর্জন করা উচিত।

চুল দান করে বিশ্ব রেকর্ড


পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন স্কোয়াশ খেলোয়াড় জাহাব কামাল খান। চুল দান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি।মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে চুল রাখা শুরু করেছিলেন জাহাব। এরপর আর একবারও চুল কাটাননি। দীর্ঘ ১৮ বছর পর এবার সেই চুলের অনেকটা কেটে ফেললেন তিনি।

কিন্তু এর পেছনেও রয়েছে একটি মহত উদ্দেশ্য। তার এই চুল ‘চিলড্রেন উইথ হেয়ার লস’ নামের একটি সংস্থায় দান করছেন এই স্কোয়াশ খেলোয়াড়। এই সংস্থা চুল প্রয়োজন সেই সকল শিশুদের নকল চুল দান করে থাকে। প্রায় ৬ ফুট ১ ইঞ্চি চুল কেটে দান করেছেন জাহাব।

এই মহত উদ্যোগের কারণে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম উঠেছে তার। একবারে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ চুল দান করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে চুল দান করার ছবিটি শেয়ার করেছেন জাহাব। পাশাপাশি জানিয়েছেন, নিজের মনের কথাও। নেটিজেনরাও তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকলে যে ক্ষতি হয়


আজকাল প্রায় সব অফিসেই এসি অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশন ব্যবহার করা হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকার পর বাসায় ফিরে অনেকেরই আর ফ্যানের বাতাস সহ্য হয় না। এ কারণে অনেকে বাড়িতেও এসি ব্যবহার করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত এসি নির্ভরশীলতা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়াতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। যেমন-

১. যারা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

২. অতিরিক্ত এসির ব্যবহারের কারণে চোখে নানা ধরণের সংক্রমণ দেখা দেয়।

৩. যারা একটানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের মধ্যে আর্থাইটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা নানা ধরণের স্নায়ুর সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৪. অতিরিক্ত এসির ব্যবহার বা দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ফলে অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও বাড়তে পারে।

৫. দীর্ঘ ক্ষণ এসিতে থাকার কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায় । তখন ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

৬. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘসময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকেন, তারা মাথা ব্যথা বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকে নিজেকে সুস্থ রাখার কিছু পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন-

১. ঘরের তাপমাত্রা ২১-২৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে হবে। ঘরের তাপমাত্রা কখনই ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখা ঠিক নয়।

২. শীতের সময় এসির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

৩. ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

৪. মাঝে মধ্যেই মুখে, হাতে পানি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হালকা চাদর গায়ে জড়িয়ে রাখতে পারেন। সূত্র : জি নিউজ

নলকূপ থেকে একাই উঠছে পানি, গোপন রোগসহ ব্যাধি সারাতে মানুষের ভিড়


নলকূপের পানি পান করলেই মিলবে রোগমুক্তি! সারবে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা ধরনের জটিল ও গোপন রোগ। এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পরই দূর-দূরান্ত থেকে পানি নিতে শত শত মানুষ ভিড় করছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আনারুলের বাড়িতে।

চারদিন ধরে ওই বাড়ির টিউবওয়েলে কোনো বৈদুতিক মোটর বা হাতের চাপ ছাড়াই পানি উঠছে। এ পানি পান করে কারো রোগমুক্তি হয়েছে কিনা কেউ বলতে পারেনি।এটিকে পুঁজি করে ব্যবসার ফন্দিও আটছে একটি চক্র। প্রশাসন বলছে, যদি কেউ প্রতারণা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, ভবানীপুর গ্রামের আনারুল ফকিরের বাড়ির টিউবওয়েল দিয়ে হঠাৎ পানি উঠতে থাকে। এলাকার লোকজন এটিকে আল্লাহর নিয়ামত মনে করে এর পানি পান করলে রোগমুক্তি হবে ভেবে পানি নেয়া শুরু করেন। অনেকেই রোগমুক্তির প্রচারণা চালানোর পর ভবানীপুর ও আশপাশের এলাকার লোকজন পানি নিতে ভিড় জমাচ্ছেন ওই বাড়িতে।

কেউ আসছেন গোপন রোগ ভালো করতে। আবার অনেকেই আসছেন ক্যান্সারসহ দূরারোগ্য রোগ থেকে মুক্তি পেতে। বিশেষ করে শুক্রবার বিকেল থেকে পানি নেয়ার জন্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিড়। কেউ পানি নিয়ে যাচ্ছেন। আবার কেউ ওখানেই নিয়ত করে পানি পান করছেন।

পানি নিতে আসা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের গরুড়া গ্রামের মহিদুল জানান, তার ও তার ছোট ভাইয়ের গোপন রোগ মুক্তির জন্য পানি নিতে এসেছেন। ডাক্তার কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিয়েও তা ভালো হয়নি।

ভবানীপুরের হাবিবুর জানান, চোখে কম দেখেন তিনি। ওই পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করলে ভালো হবে মনে করে খাস নিয়তে তিনি পানি নিয়ে যাচ্ছেন। কাউকে কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না।গোয়াল গ্রামের বৃদ্ধা চম্পা এসেছেন তার মেয়ের বন্ধ্যাত্ব দূর করতে। বিয়ের ১০ বছর পার হলেও তার মেয়ের কোনো সন্তান নেই।

এদিকে একটি চক্র ওই টিউবওয়েলটিকে ঘিরে ব্যবসার ফন্দি আটছে। অনেকেই এটিকে অলৌকিক বলে দাবি করে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছেন। তাদের দাবি, পানি পান করলে রোগ ভালো হবে। পানির অপর নাম জীবন। অনেকের রোগ ভালো হয়েছে বলে দাবি করলেও কোনো লোককে দেখাতে পারেননি তারা।

মেহেরপুর হোটেল বাজার জামে মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান জানান, এসব কুসংস্কার। রোগব্যাধি ভালো করার জন্য মানুষ ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নেবে। পানি পান করলে কোনো রোগ ভালো হয় কিনা সেটি তার অজানা।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। এটির সঙ্গে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। নলকূপের পানিতে রোগমুক্তি হয় এমন তথ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে নেই। যারা পানি নিচ্ছে বা পান করছে তারা গুজবে কান দিয়ে সেখানে ভিড় করছে বলেই আমরা মনে করি।

গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, ওই স্থানে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পুলিশ ক্যাম্পে জানানো হয়েছে ও সতর্ক করা হয়েছে।গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, ওই টিউবওয়েলের পানিতে রোগ সারবে কীভাবে তা বোধগম্য নয়। এটি প্রতারণার ফাঁদ মাত্র। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে জানানো হবে এবং টিউবওয়েলটি বন্ধ করে দেয়া হবে।

পুরুষ সঙ্গী বা অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে সৌদি নারীরা


সৌদি আরবের নারীদের দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে আর কোনো পুরুষ সঙ্গী বা অভিভাবক লাগবে না। শুক্রবার রাজকীয় এক ডিক্রিতে এই ঘোষণা এসেছে। এর ফলে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই এখন ২১ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো নারী পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

নতুন ডিক্রি অনুযায়ী সৌদি নারীরা এখন শিশুদের জন্ম নিবন্ধন, বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করতে পারবে। ডিক্রিতে নারীর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও অনেকটা সম্প্রসারিত হচ্ছে। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে শারিরীক কোনো অক্ষমতা, লিঙ্গ বা বয়সের কারণে কোনো বৈষম্য করা হবে না।

এর আগে সৌদি নারীদের স্বামী, পিতা বা অন্য কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া পাসপোর্ট বা বাহিরে ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হতো না। ২০১৬ সালে মোহাম্মদ বিন সালমান ক্রাউন প্রিন্সের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নারীদের বিভিন্ন অধিকার প্রদান করেন। সম্প্রতি কয়েকজন সৌদি তরুণী দেশের বাইরে পালিয়ে যান। তারা দেশে নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ করেন।

সমবয়সী বিয়ে করলে কী হয়?


বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যে একটি বন্ধন, যা সারাজীবনের জন্য অটুট থাকবে। আর তার জন্য নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা বড় বিষয়। ভালোবেসে বিয়ে হোক আর পরিবারগতভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান। দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহজ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না। তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই।

পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী।

জীবনের সর্বাঙ্গীণ সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।

একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না।

কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।

অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ মহিলার কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত।

আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি।

ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা।

এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।

৭৫ বছর পর দেখা হল হারানো প্রেমিক যুগলের


১৯৪৪ সালে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা, কেটি রবিন্স পূর্ব ফ্রান্সের ব্রায়িতে একটি রেজিমেন্টে নিযুক্ত ছিলেন।জার্মানির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সে সময় জোট বেঁধে লড়াই করছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স।

ফ্রান্সের সেই ঘাঁটিতে থাকাকালীন তরুণ রবিন্স, ১৮ বছর বয়সী ফরাসি মেয়ে জেনেই পিয়ারসন নি গেনেই- এর প্রেমে পড়েন।তবে তাদের দেখা হওয়ার দুই মাসের মধ্যেই, পূর্ব ফ্রন্টের উদ্দেশ্যে কেটি রবিন্সকে তাড়াহুড়ো করে গ্রাম ছেড়ে যেতে হয়।

একজন আরেকজনের থেকে আলাদা হওয়ার সময় তারা ভাবছিলেন যে তাদের আবার দেখা হবে কি না।কেটি রবিন্স পরে জেনেইয়ের একটি ছবি তার কাছে রেখে দেন।তারপর দীর্ঘ ৭৫ বছর পেরিয়ে যায়। তাদের দেখা হয়নি ঠিকই, কিন্তু জেনেইয়ের শেষ স্মৃতি হাতছাড়া করেননি মিস্টার রবিন্স।

এরপর একদিন ফ্রান্সের একদল সাংবাদিক বিশেষ প্রতিবেদনের কাজে মিস্টার রবিন্সের সাক্ষাতকার নিতে আসেন।সে সময় ফ্রান্সের সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রের ভেটেরান অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করছিলেন।তাদের সঙ্গে দেখা হতেই ফ্রান্সের প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স-টু এর সাংবাদিকদের জেনেই-এর সেই ছবিটি দেখান মিস্টার রবিন্স।

বলেন, যে তিনি ফ্রান্সে ফিরে গিয়ে জেনেইকে না হলে তার পরিবারকে খুঁজে বের করতে চান।তরুণ বয়ছে যেমন ছিলেন কেটি রবিন্স ও জেনেই গেনেই

সাংবাদিকদের সঙ্গে এই সাক্ষাতের কয়েক সপ্তাহ পরেই মিস্টার রবিন্স ডি-ডে ল্যান্ডিং অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং এর এর ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফ্রান্সে যান।

তিনি ভাবতেও পারেননি, তার জন্য কত বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছে।মিস্টার রবিন্সকে চমকে দিতে, ফ্রান্সের ওই সাংবাদিকরা আগে থেকেই সেই নারীর খোঁজ বের করেন।এরপর মুখোমুখি করেন দুজনকে।মিস্টার রবিন্সকে সাংবাদিকরা নিয়ে যান সেই রিটায়ার হোমে, যেখানে অপেক্ষায় ছিলেন মিজ গেনেই।

দীর্ঘ ৭৫ বছর পর দেখা হতেই তারা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেন।সে সময় মিস্টার রবিন্সের গায়ে ছিল সামরিক পোশাক আর মিজ জেনেই কালো পোশাকে নিজেকে সাজিয়েছিলেন পরিপাটি করে।

পরে মিজ গেনেই সাংবাদিকদের বলেন, তিনি সবসময়ের রবিন্সের কথা মনে করতেন। আশা করতেন যে, একদিন রবিন্স নিশ্চয়ই ফিরে আসবে।

নিজেদের আলাদা হওয়ার মুহূর্তটি নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে স্মৃতিচারণ করেন মিজ গেনেই।তিনি বলেন, ‘রবিন্স যখন ট্রাকে করে ফিরে যাচ্ছিল, আমার মন এতোটাই ভেঙে পড়েছিল যে আমি ভীষণ কাঁদছিলাম। আমি আশা করেছিলাম যুদ্ধ শেষে সে হয়তো আর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবে না।’

তবে বাস্তবে এই দীর্ঘ সময়ে তাদের একবারের জন্যও দেখা হয়নি।এ নিয়ে আক্ষেপের কথাও জানান মিজ গেনেই।সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘রবিন্স এতদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কেন ছিল? আমার কাছে আরও আগে কেন ফিরে আসেনি? আমি ভাবি, যদি সে আরও আগে ফিরতো।’

জেনেই পরে বিয়ে করেন। সেই সংসারে তাঁর পাঁচ সন্তান রয়েছে।অন্যদিকে মিস্টার রবিন্সও পরে বিয়ে করেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পরিবার নিয়ে থাকছেন তিনি।তাদের দুজনই এখন নিজেদের সঙ্গীকে হারিয়েছেন।

রাতে এসএসসি পরীক্ষা দিবে যশোর বোর্ডের রিকি

 রাতের বেলায় এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শুধু ধর্মীয় কারণে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা রিকি রাতে পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে। তার আবেদন শিক্ষা বোর্ড গ্রহণ করেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রিকির এই পরীক্ষা আয়োজনে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিকিকে সকাল ১০টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। এরপর অপেক্ষা করতে হবে তার পরীক্ষার জন্য বোর্ড নির্ধারিত সময় পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে কোনোভাবেই পরীক্ষা কক্ষের বাইরে বের হওয়া যাবে না এবং কারো সঙ্গে যোগাযোগও করা যাবে না। এ সময় তাকে খাবার ও পানি সরবরাহসহ শৌচাগার ব্যবহারে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হবে।

 

কুষ্টিয়ার কুমারখালী কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ‘সেভেন্থ ডে অ্যাডভান্টিস্ট’সম্প্রদায়ের রিকি। এটি খ্রিস্টধর্মীয় প্রটেস্ট্যান্ট ধারার একটি উপধারা। ১৮৬৩ সালের দিকে গোড়াপত্তন হওয়া নবতর এই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের রীতিমতে শনিবার দিন কোনো কিছু না লেখার বিধান রয়েছে।

 

রিকি কুমারখালীর পারফেক্ট ইংলিশ ভার্সন স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী। শনিবার দিনের বেলা এই সম্প্রদায়ের কোনো কিছু না লেখার জন্য ধর্মীয় বিধান রয়েছে। এ বিষয়টি তুলে ধরে রিকি শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলো রাতে নেওয়ার জন্য বোর্ড বরাবর আবেদন করে।

 

এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় বিধি বিধানের বিষয়টি আমলে নিয়ে আজ শনিবার ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বাংলা পরীক্ষা সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নেবে যশোর শিক্ষাবোর্ড। এছাড়াও পরবর্তী যেসব পরীক্ষা শনিবার পড়বে সেসব পরীক্ষার ক্ষেত্রেও রিকি একই সুবিধা পাবে বলে জানা যায়। বোর্ড নিযুক্ত প্রতিনিধি সব সময় তার সঙ্গেই থাকবেন। এবং এই সময়ের মধ্যে রিকি কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।

 

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, রাতে ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব, হল সুপার, সহকারী হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও পুলিশসহ দায়িত্বশীল সবাই দায়িত্ব পালন করবেন।

কনের সাজে প্রেমিকের কবরে প্রেমিকা

দীর্ঘদিনের প্রেম থেকেই বিয়ের তারিখ ঠিক হয়েছিল জেসিকা ও কেন্ডালের। কিন্তু এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় কেন্ডালের প্রাণ। মুহূর্তে ভেঙে যায় সাজানো স্বপ্ন। কিন্তু প্রেমও কি মানুষের সঙ্গে সঙ্গে মরে যায়?

উত্তর হচ্ছে- না, এরপরও ভালোবাসা ফুরোয়নি একটুও। জেসিকা যাকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতেন তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু ১০ মাস পর বিয়ের সাজে সাজলেন জেসিকা বউয়ের সাজে গেলেন প্রিয়জনের কবরের পাশে।

প্রেমিকের মৃত্যুর পর ভেবেছিলেন সামলে নিয়েছেন নিজেকে। কিন্তু কবরের কাছে যাওয়ার পথ কান্নার বাঁধ ধরে রাখা গেল না। ফুলের তোড়া পাশে রেখে অঝোরে কাঁদলেন তিনি।

এক মাতাল চালকের গাড়ির সঙ্গে দুর্ঘটনায় মারা জান কেন্ডাল মারফি। কেন্ডাল ছিলেন একজন দমকল কর্মী। সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। সেদিনই তাদের বিয়ের কথা ছিল। এই ঘটনার পর ১০ মাস কেটে গেছে।

কেন্ডালের কবরের পাশে ছবিও তোলেন জেসিকা। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের লাভিং লাইফ ফটোগ্রাফি থেকে এই সুন্দর মুহূর্তের ছবিগুলো তোলা হয়েছে।

জেসিকা বলেন, যদিও আমি আমার স্বপ্নের পুরুষকে বিয়ে করতে পারিনি। কিন্তু, এই দিনটা আমার জন্য বিশেষ একটা দিন। তার এই বিশেষ দিনটিকে সুন্দর করে তুলতে যারা সাহায্য করেছেন তাদের ধন্যবাদ দিয়েছেন জেসিকা। তিনি বলেন, আমি যা চেয়েছিলাম তা হয়তো পাইনি। কিন্তু সবাই মিলে আমাকে অনেক ভালোবাসায় পূর্ণ করেছেন।

চুল বেঁধে সাদা গাউন পরে খুব সেজে গিয়েছিলেন তিনি তার প্রেমিকের কবরে। কোনভাবেই যেন দিনটা নষ্ট না হয় সে চেষ্টা করেছেন তিনি। এমন নজির খুব একটা দেখা যায় না ইদানিং।

পরকীয়ায় কে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?


দাম্পত্য জীবনে অশান্তির একটি বড় কারণ হচ্ছে- পরকীয়া। এ কারণে বহু সংসার ভেঙে যায়৷ তবে এ ব্যাপারে নারী বা পুরুষ- কে দায়ী তা বলা মুসকিল৷ একজন পার্টনার পরকীয়ায় জড়িয়ে গেলে, অন্যজন তার প্রতি প্রতিশোধ নেয়ার জন্যও অনেক সময় নিজেকে অন্য আরেকজনের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেন।তবে পরকীয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সন্তান।

সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেম

দিনের বেশিরভাগ সময়ই মানুষ কর্মস্থলে কাটায়। সে কারণে নিজের নানা সমস্যার কথা অনেকেই সহকর্মীদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন৷ এসবের মধ্য দিয়ে প্রথমে সহানুভূতি এবং পরে পরকীয়ায় জন্ম হতে পারে।

অফিসিয়াল ট্যুর

কোনো কোনো সহকর্মীর মধ্যেই হালকা সম্পর্ক থাকলে অফিসিয়াল ট্যুরে গিয়ে সে সম্পর্ক গাঢ় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ এ ধরনের ঘটনা কিন্তু আপাত সুখী দম্পতিদের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে৷ অনেকের ক্ষেত্রে পরে চাইলেও সে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়৷

ক্ষমা করা কি সম্ভব?

১০-১৫ বছর সংসার করার পর যখন কেউ পরকীয়ায় জড়িয়ে যান, তখন স্ত্রী বা স্বামী তা জেনে গেলে তারা ক্ষমা চান এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সব কিছু ভুলে গিয়ে আবারও আগের মতো হতে চান।

ক্ষণিকের আনন্দ

বিবাহিত নারী বা পুরুষ হঠাৎ কোনো দুর্বল মুহূর্তে অন্য কারও সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ নিয়ে থাকেন। এ রকম ঘটনা পুরুষদের ক্ষেত্রেই নাকি বেশি ঘটে। বিশেষ করে স্ত্রীর প্রিয় বান্ধবীর সঙ্গে। শুধু এক রাতের ব্যাপার হলে অনেক স্ত্রীই কিন্তু স্বামীকে ক্ষমা করে দেন।

যাদের ভোগান্তি

মা-বাবার পরকীয়ায় কষ্ট পায় আসলে সন্তানরা। বিশেষ করে তাদের বয়স কম হয়। হঠাৎ করে মা-বাবার মধ্যকার সম্পর্ক বা অন্যরকম আচরণ শিশুদের আতঙ্কিত করে৷ শিশুমনে পড়ে এর নেতিবাচক প্রভাব, যা হয়তো সারাজীবন থেকে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া

আধুনিক বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমও যে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার একটি কারণ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।