মঙ্গলবার, ২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

পরিবেশ এর উপর জলবায়ুর প্রভাব ও আমাদের করণীয়

ভোরের সংলাপ ডট কম :
জুলাই ১৬, ২০২৩
news-image

পরিবেশের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আজ একটি বহুল আলোচিত বিষয়। এটা ঠিক যে, বিশ্ব ব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তেনের পিছনে যেমন প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে তেমনি রয়েছে মানব সৃষ্ট কারণ। বরং মানব সৃষ্ট কারণই এখন মূখ্য ভূমিকা পালন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বাতাস, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, বৃষ্টিপাতের সময় ইত্যাদি নানাবিধ বিষয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে তার প্রভাব পড়ছে। বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধির সাথে সাথে মেরু অঞ্চলের হিমবাহের আয়তনেরও হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তন মানুষের জীবন যাপন থেকে শুরু করে পৃথিবীর প্রায় সব কিছুতেই এর প্রভাব প্রভাবক হিসাবে কাজ করে। এই পরিবর্তন দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষ করে বাংলাদেশ কিংবা মালদ্বীপের মতো দেশগুলোর আবহাওয়ার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে সব চাইতে বেশী। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সহ ছোট ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র গুলো সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক সমুদ্র গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে। বাংলাদেশের মোট আয়তনের ৩২ শতাংশ উপকূলীয় এলাকা আর ঐ সব এলাকায় বসবাস করে মোট জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ। ধারনা করা যায় সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা যদি ১ মিটার বৃদ্ধি পায় তাহলে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের মোট ভুমির ১৮% ডুবে যাবে। ফলে প্রায় ১১% শতাংশ উপকূলবাসী সহায় সম্বলহীন হয়ে উদ্বাস্তু হবে। তাদের জীবন-জীবিকা হুমকীর মুখে পড়বে। সুস্বাস্থ্যের প্রধান নিয়ামক নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবে জন গোষ্ঠীর স্বাস্থ্য তথা জীবন চক্রকেও চরমভাবে বিপর্যস্ত করে ফেলবে।

আজকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৪ উদযাপনের প্রারম্ভে আমাদের জিজ্ঞাসা, কেন এই বিপর্যয় এবং এ জন্য কারা দায়ী? সমস্যার সমাধান খুঁজতে হলে এবং আমাদের করণীয় নির্ধারন করতে হলে এই সব বিষয়কে বিবেচনায় এনে বিশ্লেষণ করে আমাদের করণীয় নির্ধারন করতে হবে। বিশেষ করে অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে শিল্প বিপ্লব- এর পর এবং পৃথিবীর অন্যান্য ধনী দেশগুলোতে বড় বড় শিল্প স্থাপনের পরে কাঠ ও জীবাশ্ম জ্বালানীর ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় কার্বন (কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন) নির্গমণ হচ্ছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ হচ্ছে, এই কার্বন নিঃসরণ। এর প্রতিক্রিয়ার ভূমন্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে- উষ্ণতা বাড়ছে। বরফ গলছে, উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে পর্বতের চূড়ায়। এই বরফ গলা পানি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। মোট কথা পৃথিবীর ধনী দেশগুলো যেমন, আমেরিকা, ব্রিটেন, ইটালী, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, জার্মানী, রাশিয়া যারা জি-৮ গোষ্ঠীভূক্ত অপরদিকে চীন, ব্রাজিল ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশও রয়েছে যাদের কারণে বায়ু মন্ডলে অনবরত কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে এবং “গ্রীন হাউস এফেক্ট” সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন
১৯৭৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রথম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১৯৮০ সালে অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে। ১৯৮৫ সালে আবার ভিয়েনাতে। ইতিমধ্যে এই ধারণাটি বিশ্বময় ছড়িয়ে গেছে-ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের মত গ্যাস গুলো নির্গমণে ওজন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে। এরই আলোকে ১৯৮৭ সালে উন্নত দেশের প্রতিনিধিরা কানাডার মন্ট্রিলে মিলিত হয়। ওজন স্তরের ক্ষতি ও দুরাবস্থার বিষয়টি সম্পর্কে একটি খসড়া চুক্তি পত্র তৈরী হয়। তারপর “গ্লোবাল ওয়ার্মিং” নিয়ে ব্রাজিলের রিওডিজেনেরোতে ১৯৯২ সালের জুন ৩ থেকে জুন ১৪ পর্যন্ত সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক এই জলবায়ু সম্মেলন। এই সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী দেশগুলো স্পষ্টতঃ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট হয় যে, বিপদ আসন্ন। ২০০৫ সালের মধ্যে গ্রীন হাউস গ্যাস এর পরিমান ২০ শতাংশ কমাতে হবে। কাঠ ও কয়লার ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
১৯৮০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকবার এসিড বৃষ্টি হওয়ার পর সালফার ডাই অক্সাইড নির্গমণ কমানোর উদ্দেশ্যে ১৯৯০ সালে আইন করে নির্গমণের সর্বোচ্চ মাত্রা নির্ধারন করে দেয়া হয়েছিল। এটাকে বলা হতো (ঈঅচ) নিয়ন্ত্রিত সীসা। ১৯৯৭ সালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আলগোর এর প্রভাব ও কর্তৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তনকে মুক্তবাজার অর্থনীতির সাথে খাপ খাওয়ানোর উপযোগী করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়াটো শহরে ১৪৯টি দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে “কিয়াটো প্রটোকলে” কার্বন বাণিজ্যের চারটি দ্বার উন্মোচিত হয়।

১. নির্বনায়ন ও বন উজার বন্ধ করে কার্বন নির্গমণ কমানো (Reducing emissions from deforestation and forest degradation/ REDD)
২. ভুমি ব্যবহার, ভুমি ব্যবহারের পরিবর্তন ও বনায়ন(Land use,Land use change and forestry/LULUCF)
৩. পরিচ্ছন্ন উন্নয়ন পদ্ধতি(Clean devolopment mechanism/CDM)
৪. কার্বন খেসারতি(Carbon offset)

 

এই গুলোর মোদ্দা কথা হচ্ছে ঃ
(ক) কার্বন উৎপাদনকারী দেশ কার্বন নির্গমণ কমাবে না তবে কার্বন নির্গমণ কমানোর জন্য বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে;
(খ) কৃষি বনায়ন বৃদ্ধি ও নির্বনায়ন কমানোর মধ্য দিয়ে গ্রীন হাউস গ্যাস হ্রাস;
(গ) কম কার্বন নির্গমণ প্রযুক্তি গরীব, স্বল্পোন্নত ও এফেক্টেড দেশ গুলোতে দেয়া;
(ঘ) কম কার্বন নির্গমণ কাজে আর্থিক সহায়তা দান ।

যদিও “কিয়াটো প্রটোকল” প্রস্তাবকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাচ্ছিল্য করেছিলো এবং তার প্রেক্ষিতে বিশ্বময় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল তবু আলোচনা চলতে থাকলো। ২০০১ সালে মরক্কোতে, ২০০২ সালে জোহান্সবার্গে, ২০০২ সালের নভেম্বরে দিল্লীতে, ২০০৪ সালে বুয়েন্স আয়ার্সে এবং ২০০৭ সালেও আইপিসিসি চার চারটি সম্মেলন করে। ১৭ বছর লাগাতার কাজ করার পর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আইপিসিসি-কে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় এ যাবতকালে নানাবিধ তহবিল গঠিত হয়েছে। পৃথিবীর দরিদ্র ও ভুক্তভোগী দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য ( মুলত ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া এবং অভিযোজন করার জন্য) প্রধানত তিনটি তহবিল গঠন করা হয়েছে UNFCC এর অধীনে।

 

ক্স অভিযোজন তহবিল (Adaptation Fund )
ক্স স্বল্পোন্নত দেশ তহবিল (Least devoloped countries fund)
ক্স বিশেষ জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল(Special climate change fund )

মুলত এই তহবিল গুলোর অর্থের উৎস ধনী দেশগুলো এবং এই অর্থ তাদের জন্য যারা জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জলবায়ুর পরিবর্তন দৃশ্যমান। সমূদ্র পৃষ্ঠ-স্ফীত হওয়ায় অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খড়া, লবনাক্ততা বৃদ্ধি, বন্যা, আকষ্মিক বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, মরুকরণ, সুপেয় পানির অভাব, মৎস্য সম্পদ হ্রাস, জীবজন্তু- প্রাণী ও পাখির অবলুপ্তি, নদীর তলদেশ, হাওড়-বাওড়, খাল-বিল এর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় দুর্যোগের মাত্রা অস্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে গেছে। ১৯৮৮ সালে “Inter governmental panel on climate change” -সংক্ষেপে IPCC এর ভবিষ্যৎ বাণী ছিলো , প্রতি দশকে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০.২ থেকে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ৩ থেকে ১০ সে.মি. পর্যন্ত। কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমান দ্বিগুন হলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি থেকে ৪.৫ ডিগ্রি বাড়তে পারে। এই ভাবে চলতে থাকলে ২১০০ সালে বায়ু মন্ডলে কর্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমান ৪০ গুন বাড়বে। অবস্থা কি ভয়াবহ হবে তা চিন্তা করতে পারেন? তারপরও আছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। সাধারন ভাবে সারা দেশ ব্যাপী নিরাপদ পানির সংকট তীব্রতর হচ্ছে। একই সাথে উন্নয়নের নামে পরিবেশ দূষনের মাত্রা প্রতি নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি ও স্যানিটেশান অধিকার নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি শূন্যের কোঠায় আনতে হবে। এ জন্য দরকার জনসচেতনতা আর সকলের সহযোগিতা। গ্রাম বাংলার প্রায় সর্বত্রই উন্নত খাবর পানির সংকট আছে। ভূ-উপরিস্থ পানি সাধারনত এখন আর নিরাপদ নয়, ভূ-গর্ভস্থ পানি এখনো অনেক নিরাপদ যদিও কোথাও কোথাও আর্সেনিক দোষে দুষ্ট, পরিকল্পনা বিহীন ভাবে কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কারণে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে ফলে পানি ব্যবস্থায় সৃষ্টি হচ্ছে নতুন সংকট; জনস্বাস্থ্য হয়ে পড়েছে হুমকীর সম্মুখীন। পানীয়জল দূষিত হওয়ার কারণে গ্রাম গঞ্জের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে অর্থাৎ ডাইরিয়া, টাইফয়েড ও আমাশয়ে। অপরদিকে বিশুদ্ধ পানির অন্যতম সহজলভ্য উপায় হচ্ছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষন। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে তা করা হয়। অতি সম্প্রতি অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে দেখেছি এমন ভাবে বাড়ি ঘর দালান-কোঠা তৈরি করা হয় যেখানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষিত ট্যাংকীতে গিয়ে জমা হয় এবং এভাবেই তারা বৃষ্টির পানি কাজে লাগায়।

উদ্ভূত সংকট উত্তরণে আমাদের করণীয়ঃ

 

১. বনায়ন ও সামাজিক বনায়ন সৃষ্টি করা ।

 

২. পানি সম্পদ প্রকল্পকে যতটা সম্ভব বহুমূখী প্রকল্প হিসেবে পরিকল্পনা করা ও বাস্তবায়ন।

 

৩. ভূ-উপরিস্থ পানির দূষন রোধ করে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহার ও পানীয়জলের চাহিদা পূরণ ।

 

৪. বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের ব্যবস্থা চালু ।

 

৫. ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহারে সর্তকতা, গুনমানের পরিবর্তনের পরিবীক্ষণ ।

 

৬. পয়:নিষ্কাশন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ, ময়লা পানি ও আবর্জনা পরিশোধন।

 

৭. মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ।

 

৮. বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র সংরক্ষন।

 

৯. প্রাকৃতিক জলাশয় নদী-নালা ভরাট না করে পানি প্রবাহ অক্ষুন্ন রাখা।

 

১০. চলাচলের অযোগ্য নৌপথ সচল রাখা ও পানি দূষন রোধ করা ।

 

১১. পর্যটন সংক্রান্ত সুবিধাদির উন্নয়ন করে জলাশয় হ্রদ, বিল, হাওড়/বাওড়, দিঘী, সমুদ্র সৈকত ইত্যাদি স্থানে বিনোদন সুবিধা রাখা ।

 

১২. অর্থনৈতিক ভাবে লাভজনক এবং পরিবেশগত দিক থেকে নিরাপদ বিবেচিত হলে “ক্ষুদ্র পানি বিদ্যুৎ উন্নয়য়ন প্রকল্প” গ্রহন ।

 

১৩. প্রাকৃতিক পরিবেশের “ক্ষয়রোধ ও সংরক্ষন” টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য তাই আর্দ্র ভূমি, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও বনাঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষন।

 

১৪. উদ্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে লাগসই প্রযুক্তি নির্বাচন ও প্রয়োগ ।

 

১৫. জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য এবং পদ্ধতি সম্পর্কে বিষয়বিশেষজ্ঞ, পরিকল্পনাবিদ, রাজনীতিবিদ ও জনগনের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা ।

 

১৬. বন্যা নিয়ন্ত্রন ও ব্যবস্থাপনায় ঐক্যমত্য সৃষ্টি ও স্থায়ী পরিকল্পনা গ্রহন ।

 

১৭. পানি সম্পদে মালিকানা স্বত্ত্বের উন্নয়ন, বন্টন, ব্যবহার, সংরক্ষন, ক্ষয়রোধ সংক্রান্ত আইন সংশোধন ইত্যাদি ।

 

 

এ তালিকা আর দীর্ঘ করতে চাইনা । মুলত দরকার পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম গ্রহন ও বাস্তবায়ন যার কোন বিকল্প নেই।
এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- “Raise your voice , not the sea level ”

অর্থাৎ “ হতে হবে সোচ্চার সমুদ্রের উচ্চতা বাড়াবো না আর।”

 

 

অধ্যাপক মির্জা মহীউদ্দিন আহমেদ

 

 

তথ্যসূত্র
১. পুঁজিবাদী বিশ্ব সভ্যতা ও জলবায়ু
-ম. আব্দুর রহমান রানা
২. পরিবেশ সংরক্ষনে উপকূলীয় বনায়নের ভুমিকা
-ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন
৩. কার্বন বানিজ্য: প্রাকৃতিক সম্পদ দখলে নিতে নুতন বাণিজ্য রাজনীতি
-গৌরাঙ্গ নন্দী ও হাসান মেহেদী
৪. মাসিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ-এ প্রকাশিত আইন নীতি কৌশল: জাতীয় পানি নীতি
৫. বিদগ্ধ জনের সাথে আলোচনা ও পত্র পত্রিকা।

bhorersanglap