বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং

জুনেই পোশাক খাতে বড় অর্ডার আসছে ইতালি থেকে

ভোরের সংলাপ ডট কম :
জুন ১৯, ২০২০
news-image

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি জুন মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশের পোশাকখাতে একটি বড় অংকের কার্যাদেশ দিতে যাচ্ছে ইতালির ফ্যাশন কোম্পানি ‘টেডি’।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে ইতালিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, ইতালিয়ান ফ্যাশন কোম্পানি টেডি গ্রুপ, করোনাভাইরাসের মহামারির সময় বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। সম্প্রতি রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এই মহামারির সময়ে তাদের কোনো কার্যাদেশ স্থগিত বা বাতিল করা হয়নি বলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে অবহিত করা হয়। তাছাড়া, বিদ্যমান কাজের পরিবেশ বজায় থাকলে তাদের কার্যাদেশ অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়। এ মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে একটি বড় অঙ্কের কার্যাদেশ দেওয়া হচ্ছে বলে দূতাবাসকে অবহিত করেন কোম্পানির প্রতিনিধিরা।

তবে, বিশ্বব্যাপী সার্বিক চাহিদা হ্রাস পাওয়ার ফলে আগের বছরের একই মৌসুমের তুলনায় এই কার্যাদেশ এর পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে বলে জানান তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে আগামী তিন অথবা চার মাস পর কার্যাদেশ এর পরিমাণ আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন টেডি গ্রুপ কোম্পানির প্রতিনিধিরা।

এ ধরনের দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব অন্যদের জন্য একটি আদর্শ উদাহরণ স্থাপন করেছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ দূতাবাস টেডি গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। দূতাবাস যেকোনো ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে কোম্পানিকে।

১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত টেডি গ্রুপ বর্তমানে ইতালির অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন শিল্প প্রতিষ্ঠান। টেরানোভা, কালিলোপ এবং রিনাসিমিনিটোসহ তাদের ছয়টি ব্র্যান্ড রয়েছে এবং বিশ্বের ৪০টি দেশে তাদের ছয় শতাধিক স্টোর রয়েছে। বাংলাদেশ হচ্ছে টেডির শীর্ষ ব্যবসা কেন্দ্র। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাকজাত পণ্য আমদানি করে কোম্পানিটি। তারা ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করে যেখানে বর্তমানে ২ জন ইতালিয়ান নাগরিকসহ ৪০ জন কর্মরত আছেন।

সম্প্রতি করোনাভাইরাসজনিত সৃষ্ট পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকজাত পণ্য আমদানির সুষ্ঠু ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস ১০ শীর্ষ ইতালিয়ান কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছে।

আরও পড়তে পারেন